১. কুরআনের আলোকে ব্যক্তি, সমাজ ও রাষ্ট্রকে সংস্কার করা।
➡ (১৩:১১, ৫৭:২৫)
২. সমাজ থেকে অন্যায়, জুলুম, দুর্নীতি ও অপকর্ম দূর করা।
➡ (১৬:৯০, ৭:৫৬)
৩. মানুষকে কুরআনের সাথে সরাসরি যুক্ত করা এবং কুরআন বুঝে চলার আহ্বান করা।
➡ (৩৮:২৯, ৪৭:২৪)
৪. কুরআনের ন্যায়বিচার ও নৈতিকতার ভিত্তিতে একটি সচেতন সমাজ গড়ে তোলা।
➡ (৫:৮, ৪:১৩৫)
৫. ব্যক্তি থেকে শুরু করে পরিবার, সমাজ এবং রাষ্ট্র পর্যন্ত কুরআনভিত্তিক সংস্কার সাধন করা।
➡ (৬৬:৬, ১৩:১১)
৬. আল্লাহর জমিনে আল্লাহর বিধান প্রতিষ্ঠার জন্য মানুষকে প্রস্তুত করা।
➡ (২৪:৫৫, ২২:৪১)
৭. মুসলিমদের মধ্যে বিভক্তি দূর করে কুরআনের উপর ঐক্য প্রতিষ্ঠা করা।
➡ (৩:১০৩, ৩০:৩১-৩২, ৬:১৫৯)
৮. মানুষের নৈতিক উন্নয়ন ও আত্মশুদ্ধির মাধ্যমে একটি আদর্শ সমাজ গঠন করা।
➡ (৯১:৯-১০, ৬২:২)
“কুরআন দিয়ে মানুষ, মানুষ দিয়ে সমাজ।”
﴿وَاعْتَصِمُوا بِحَبْلِ اللَّهِ جَمِيعًا وَلَا تَفَرَّقُوا﴾
“তোমরা সবাই আল্লাহর রজ্জুকে দৃঢ়ভাবে ধারণ করো এবং বিভক্ত হয়ো না।”
— (সূরা আলে ইমরান ৩:১০৩)
﴿وَلَا تَكُونُوا مِنَ الْمُشْرِكِينَ مِنَ الَّذِينَ فَرَّقُوا دِينَهُمْ وَكَانُوا شِيَعًا كُلُّ حِزْبٍ بِمَا لَدَيْهِمْ فَرِحُونَ﴾
“তোমরা তাদের মতো হয়ো না, যারা তাদের দ্বীনকে বিভক্ত করেছে এবং দলে দলে বিভক্ত হয়েছে; প্রত্যেক দলই নিজেদের কাছে যা আছে তা নিয়েই সন্তুষ্ট।”
— (সূরা রূম ৩০:৩১-৩২)
﴿إِنَّ الَّذِينَ فَرَّقُوا دِينَهُمْ وَكَانُوا شِيَعًا﴾
“নিশ্চয়ই যারা তাদের দ্বীনকে বিভক্ত করেছে এবং বিভিন্ন দলে পরিণত হয়েছে…”
— (সূরা আন’আম ৬:১৫৯)
﴿يَا أَيُّهَا الَّذِينَ آمَنُوا أَطِيعُوا اللَّهَ وَأَطِيعُوا الرَّسُولَ﴾
“হে ঈমানদারগণ! তোমরা আল্লাহর আনুগত্য কর এবং রাসূলের আনুগত্য কর।”
— (সূরা নিসা ৪:৫৯)
﴿وَأَطِيعُوا اللَّهَ وَرَسُولَهُ وَلَا تَنَازَعُوا﴾
“তোমরা আল্লাহ ও তাঁর রাসূলের আনুগত্য কর এবং পরস্পরে বিবাদে লিপ্ত হয়ো না।”
— (সূরা আনফাল ৮:৪৬)
﴿وَجَاهِدُوا فِي اللَّهِ حَقَّ جِهَادِهِ﴾
“তোমরা আল্লাহর পথে যথাযথভাবে জিহাদ কর।”
— (সূরা হজ্জ ২২:৭৮)
﴿وَقَاتِلُوهُمْ حَتَّىٰ لَا تَكُونَ فِتْنَةٌ﴾
“তোমরা সংগ্রাম কর, যতক্ষণ না ফিতনা দূর হয়…”
— (সূরা বাকারা ২:১৯৩)
﴿وَمَنْ أَحْسَنُ قَوْلًا مِمَّنْ دَعَا إِلَى اللَّهِ﴾
“তার চেয়ে উত্তম কথা কার, যে আল্লাহর দিকে আহ্বান করে…”
— (সূরা হা-মীম সেজদা ৪১:৩৩)
﴿قَدْ أَفْلَحَ مَنْ زَكَّاهَا﴾
“নিশ্চয়ই সফল হয়েছে সে, যে নিজেকে পরিশুদ্ধ করেছে।”
— (সূরা শামস ৯১:৯)
﴿هُوَ الَّذِي بَعَثَ فِي الْأُمِّيِّينَ رَسُولًا… يُزَكِّيهِمْ﴾
“তিনি সেই সত্তা, যিনি নিরক্ষরদের মধ্যে একজন রাসূল প্রেরণ করেছেন… তিনি তাদের পরিশুদ্ধ করেন।”
— (সূরা জুমু’আ ৬২:২)
﴿إِنَّ اللَّهَ يَأْمُرُ بِالْعَدْلِ وَالْإِحْسَانِ﴾
“নিশ্চয়ই আল্লাহ আদেশ দেন ন্যায়বিচার ও উত্তম আচরণের।”
— (সূরা নাহল ১৬:৯০)
﴿وَأَحْسِنُوا إِنَّ اللَّهَ يُحِبُّ الْمُحْسِنِينَ﴾
“তোমরা উত্তম আচরণ কর; নিশ্চয়ই আল্লাহ সৎকর্মশীলদের ভালোবাসেন।”
— (সূরা বাকারা ২:১৯৫)
