কোরআনের পথে যারা একা পড়ে গেছো
লিখকঃ মাহাতাব আকন্দ
তোমরা অনেকেই আছ যারা কুরআনের আলোয় হয়েছ।
সত্যের পথ চিনতে পেরেছ
কোরআনের কথা বলতে গিয়ে সবচেয়ে কাছের মানুষগুলোকেই হারিয়ে ফেলেছো।
যাদের মুখে একদিন ভরসা ছিল, আজ তারা তোমাদের থেকে মুখ ফিরিয়ে নিয়েছে।
তোমরা ভেবেছিলে—পরিবার বুঝবে, রক্তের সম্পর্ক অন্তত শুনবে; কিন্তু বাস্তবতা?
তারা বলেছে—
“তোমার ধর্ম তোমার কাছে, আমাদের ধর্ম আমাদের কাছে।”
তোমরা থেমে যাওনি, কিন্তু অবাক হয়েছো!
চিন্তা করেছো—এ কেমন সমাজ, যেখানে কোরআনের কথা বললেই দূরে সরে যায় সবাই? মুখ ফিরিয়ে নেয়।
সত্যি কথা শোন!
এই পৃথিবীতে কোরআনের ডাক কখনোই জনপ্রিয় ছিল না।
সত্যের রাস্তায় কখনো ভিড় হতনা না, জ্যাম হতনা।
মিথ্যার পথ সবসময়ই প্রশস্ত, আলো ঝলমলে,
আর সত্যের পথ বরাবরই সরু, নীরব, কষ্টে ভড়া।
আল্লাহ নিজেই সতর্ক করেছেন—
وَإِن تُطِعْ أَكْثَرَ مَن فِي الْأَرْضِ يُضِلُّوكَ عَن سَبِيلِ اللَّهِ
“তুমি যদি পৃথিবীর অধিকাংশ মানুষের কথা মানো, তারা তোমাকে আল্লাহর পথ থেকে বিচ্যুত করবে।” সূরা আল-আন‘আম ৬:১১৬)
সংখ্যা নয়, বন্ধুগণ!
সত্যের মাপকাঠি একমাত্র কোরআন।
যদি সংখ্যাই সত্য হতো, তাহলে নূহ (আ.)–এর নৌকায় পৃথিবীর সবাই উঠতো।
নূহু নবী ছিলেন প্রথম সেই মানুষ, যিনি একা হয়েছিলেন কোরআনের ডাকে।
সাড়ে নয়শ বছর ধরে তিনি বলেছিলেন—
يَا قَوْمِ اعْبُدُوا اللَّهَ مَا لَكُم مِّنْ إِلَٰهٍ غَيْرُهُ
“হে আমার কওম! তোমরা আল্লাহর ইবাদত করো, তিনি ছাড়া তোমাদের আর কোনো ইলাহ নেই।” (সূরা হূদ ১১:২৫–২৬)
কিন্তু তাঁর কওম হেসেছিল,
তাঁর ছেলে বলেছিল—
سَآوِي إِلَىٰ جَبَلٍ يَعْصِمُنِي مِنَ الْمَاءِ
“আমি পাহাড়ে আশ্রয় নেব, এটা আমাকে রক্ষা করবে।” (সূরা হূদ ১১:৪৩)
নূহ বলেছিলেন—
لَا عَاصِمَ الْيَوْمَ مِنْ أَمْرِ اللَّهِ
“আজ আল্লাহর আদেশ থেকে কেউ রক্ষা পাবে না।”
এবং ঢেউ এসে তাঁর সন্তানকে ডুবিয়ে দিয়েছিল।
রক্তের সম্পর্কও হিদায়াতের নিশ্চয়তা নয়।
হিদায়াত আল্লাহর হাতে—
তোমাদের হাতে নয়।
ইবরাহিম (আ.)–কে দেখো।
পুরো সমাজ মূর্তি বানাচ্ছে,
বাবা নিজেই মূর্তি নির্মাতা,
রাষ্ট্রীয় ক্ষমতা নমরূদের হাতে।
একজন মানুষ দাঁড়িয়ে ঘোষণা দিলেন—
إِنِّي وَجَّهْتُ وَجْهِيَ لِلَّذِي فَطَرَ السَّمَاوَاتِ وَالْأَرْضَ حَنِيفًا
“আমি মুখ ফিরিয়েছি তাঁর দিকে, যিনি আসমান ও জমিন সৃষ্টি করেছেন।” (সূরা আল-আন‘আম ৬:৭৯)
তাকে আগুনে নিক্ষেপ করা হলো,
কিন্তু আল্লাহ বললেন—
قُلْنَا يَا نَارُ كُونِي بَرْدًا وَسَلَامًا عَلَىٰ إِبْرَاهِيمَ
“হে আগুন! তুমি ইবরাহিমের জন্য শীতল ও নিরাপদ হয়ে যাও।” (সূরা আল-আম্বিয়া ২১:৬৯)
তোমরা একা হয়ে ভয় পেয়ো না।
যখন তোমরা আল্লাহর পথে দাঁড়াও,
তখন আগুনও আল্লাহর আদেশ ছাড়া পোড়াতে পারে না।
মূসা (আ.)–এর কাহিনি ভাবো।
তিনি ফিরআউনের সামনে দাঁড়িয়ে বলেছিলেন—
“ইসরাঈল সন্তানদের আমার সঙ্গে যেতে দাও।” (সূরা আল-আ‘রাফ ৭:১০৫)
ফিরআউন বলেছিল—
“তুমি তো এক জাদুকর!”
তার সভার লোকেরা হাসাহাসি করেছিল।
আজ তোমরা যখন কোরআনের কথা বলো,
মানুষ বলে—
“এ তো ফিতনা!”
“এ তো নতুন মতবাদ!”
“তোমরা উম্মাহ ভাঙছো!”
সময় বদলেছে, কিন্তু মানুষের রোগ বদলায়নি।
আজও মূসা–ফিরআউনের যুদ্ধ চলছে—
একজন সত্যের ভাষায়, আরেকজন ক্ষমতার ভাষায়।
তোমরা হয়তো দেখো—মানুষ কোরআন পড়ে, কিন্তু বোঝে না।
পড়লেও চিন্তা করে না।
আল্লাহ তীব্র ভাষায় বলেন—
أَفَلَا يَتَدَبَّرُونَ الْقُرْآنَ أَمْ عَلَىٰ قُلُوبٍ أَقْفَالُهَا
“তারা কি কোরআন নিয়ে চিন্তা করে না? নাকি তাদের অন্তরগুলো তালাবদ্ধ?”
— (সূরা মুহাম্মদ ৪৭:২৪)
আজ এই আয়াত তোমাদের যুগে জীবন্ত হয়ে গেছে।
অসংখ্য মানুষ প্রতিদিন কোরআন তেলাওয়াত করে,
কিন্তু তাদের অন্তর কোরআনমুক্ত।
এমনকি অনেকে কোরআন মুখস্থ করেছে,
কিন্তু কোরআন তাদের হৃদয়ে স্থান পায়নি।
নবীর সবচেয়ে কাছের মানুষ ছিলেন তাঁর চাচা আবু তালিব।
তিনি নবীর পাশে ছিলেন, নবীকে রক্ষা করেছেন, কিন্তু হিদায়াত পাননি।
তখন আল্লাহ বলেছিলেন—
إِنَّكَ لَا تَهْدِي مَنْ أَحْبَبْتَ وَلَٰكِنَّ اللَّهَ يَهْدِي مَن يَشَاءُ
“তুমি যাকে ভালোবাসো, তাকে হিদায়াত দিতে পারবে না; আল্লাহ যাকে চান তাকেই হিদায়াত দেন।”
— (সূরা আল-কাসাস ২৮:৫৬)
এই আয়াত তোমাদের জন্য এক সান্ত্বনা।
তোমরা যে কষ্ট পাও, সেটা নবীদের কষ্টেরই ছায়া।
তোমাদের কাজ হিদায়াত দেওয়া নয়—
তোমাদের কাজ আয়াত পৌঁছে দেওয়া। —
যারা আজ কোরআন ত্যাগ করেছে,
যারা কোরআনকে শুধু তেলাওয়াতের বই বানিয়েছে,
তাদের সম্পর্কে নবী কেয়ামতের দিন বলবেন—
وَقَالَ الرَّسُولُ يَا رَبِّ إِنَّ قَوْمِي اتَّخَذُوا هَٰذَا الْقُرْآنَ مَهْجُورًا
“হে আমার রব! আমার কওম এই কোরআনকে পরিত্যাগ করেছে।” — (সূরা আল-ফুরকান ২৫:৩০)
বন্ধুগণ!
কোরআন যারা পড়ে কিন্তু মানে না,
তারা আসলে এই অভিযোগের কাতারে।
তোমরা তাদের কাতারে নয়, কোরআনের কাতারে থেকো।
আল্লাহ তার নবীকে বলেছেন—
فَإِنَّمَا عَلَيْكَ الْبَلَاغُ وَعَلَيْنَا الْحِسَابُ
“তোমার দায়িত্ব কেবল পৌঁছে দেওয়া, আর হিসাব নেওয়া আমার দায়িত্ব।” (সূরা আর-রা‘দ ১৩:৪০)
তোমাদের দায়িত্ব শুধু আলো জ্বালানো,
দেখবে কে—সেটা আল্লাহর কাজ।
তোমরা সত্য বলবে,
তোমরা ডেকে যাবে—
হোক সে তোমাদের ঘর, সমাজ, বা পুরো দুনিয়া।
বন্ধুগণ!
মনে রেখো—এই নিঃসঙ্গতা শাস্তি নয়, পুরস্কারের ভূমিকা।
যারা কোরআনের সঙ্গী হয়,
অন্য সঙ্গীরা হারিয়ে যায়,
যখন তারা একা হয়ে যায়,
চিন্তা নেই। তখন আল্লাহ তাদের সঙ্গী হয়ে যায়।
তোমরা যদি কোরআনের পথে দৃঢ় থাকো,
তবে পৃথিবী তোমাদের ছাড়লেও,
আল্লাহ কখনো ছাড়বেন না।
তোমরা পরাজিত নও—তোমরা পরীক্ষায় আছ।
তোমাদের অশ্রু বৃথা যাবে না।
প্রতিটি কষ্ট, প্রতিটি প্রত্যাখ্যান,
প্রতিটি নিঃসঙ্গ রাত—আল্লাহর কাছে তার হিসাব আছে।
এবং সেই দিন আসবে,
যেদিন আল্লাহ বলবেন—
سَلَامٌ عَلَيْكُم بِمَا صَبَرْتُمْ
“তোমাদের প্রতি শান্তি, তোমাদের ধৈর্যের কারণে।”
— (সূরা আর-রা‘দ ১৩:২৪)
তাই সাহস হারিয়ো না।
তোমাদের পথই নবীদের পথ।
এই নিঃসঙ্গতা একাকীত্ব নয়, এটি হিদায়াতের সাক্ষ্য।
কারণ কোরআনের পথে হাঁটা মানে—
আল্লাহর সন্তুষ্টির পথে হাঁটা।
আর এই পথের শেষ প্রান্তে রয়েছে শুধু আলো,
শুধু শান্তি, শুধু পুরস্কার।
প্রত্যাখ্যান, ধৈর্য ও বিজয়ের অদৃশ্য প্রতিশ্রুতি
তোমরা যদি ভাবো—একাকীত্ব তোমাদের জন্য নতুন, তবে কোরআনের ইতিহাস খুলে দেখো।
কোরআনের পথে চলা মানেই মানুষের প্রত্যাখ্যান, সমাজের অবজ্ঞা, আর আপনজনের ভুল বোঝাবুঝি।
এই পথের শুরুতেই আল্লাহ তোমাদের বলে দিয়েছেন—এটা ফুলের রাস্তা নয়, এটা পরীক্ষার রাস্তা।
ঈসা নবীর দিকে তাকাও।
তিনি কথা বলেছিলেন প্রেম দিয়ে, সত্য দিয়ে, করুণা দিয়ে।
তিনি বলেছিলেন—
وَأَوْصَانِي بِالصَّلَاةِ وَالزَّكَاةِ مَا دُمْتُ حَيًّا
“তিনি আমাকে নির্দেশ দিয়েছেন সালাত ও যাকাতের, যতদিন আমি জীবিত থাকি।”
— (সূরা মারইয়াম ১৯:৩১)
তবু কী হয়েছিল জান?
তাঁকে বলা হয়েছিল জাদুকর।
তাঁর মাকে অপবাদ দেওয়া হয়েছিল।
তাঁকে হত্যা করার ষড়যন্ত্র হয়েছিল।
যখন তোমরা কোরআনের কথা বলো,
আর মানুষ তোমাদের চরিত্র নিয়ে প্রশ্ন তোলে—
তখন মনে রেখো,
নবীদের পথ দিয়েই তোমরা হাঁটছো।
লূত নবীর কাহিনি আরও ভয়ংকর।
তিনি এমন এক সমাজে দাঁড়িয়ে সত্য বলেছিলেন,
যে সমাজ পাপকে সংস্কৃতি বানিয়েছিল।
তিনি কাঁপা কণ্ঠে বলেছিলেন—
أَتَأْتُونَ الْفَاحِشَةَ مَا سَبَقَكُم بِهَا مِنْ أَحَدٍ مِّنَ الْعَالَمِينَ
“তোমরা কি এমন অশ্লীলতায় লিপ্ত হচ্ছো, যা তোমাদের আগে কেউ করেনি?”
— (সূরা আল-আ‘রাফ ৭:৮০)
তিনি তার জাতিকে সত্যের দিকে ডাকলেন,
বোঝালেন, পাপ থেকে ফিরে আসতে বললেন-
কিন্তু লুত নবীর কথা,
তাঁর নিজ স্ত্রীও বিশ্বাস করেনি।
নিজের ঘরের ভেতরেই তিনি একা ছিলেন।
তার নিজের ঘরেই শত্রু ছিলো।
পরিবারে একা হওয়া মানেই ব্যর্থতা নয়।
লূত নবীর স্ত্রীও তো সত্যের পক্ষে দাঁড়ায়নি।
তবু লূত নবী আল্লাহর কাছে পরাজিত নন—
বরং তিনি ছিলেন সফল নবী।
সবচেয়ে হৃদয়বিদারক অধ্যায়—তায়েফ।
নবী সালামুন আলা মুহাম্মদ সেখানে গিয়েছিলেন আশ্রয় চাইতে,
মানুষ চাইতে, সহযোদ্ধা চাইতে।
ফলাফল কী?
পাথর ছুঁড়ে তাঁকে রক্তাক্ত করা হয়েছিল।
জুতা ভরে গিয়েছিল রক্তে।
আর তখনও তিনি বদদোয়া করেননি।
বরং তিনি বলেছিলেন—
“হে আল্লাহ! আমার কওমকে ক্ষমা করো, তারা জানে না।”
তোমরা যখন কোরআনের কথা বলে আঘাত পাও,
অপমান সহ্য করো,
তখন তায়েফের রক্তাক্ত রাস্তা তোমাদের সাথে হাঁটে।
তোমরা ভাবো—কেন এত কষ্ট?
কেন এত প্রত্যাখ্যান?
আল্লাহ নিজেই উত্তর দিয়েছেন—
أَحَسِبَ النَّاسُ أَن يُتْرَكُوا أَن يَقُولُوا آمَنَّا وَهُمْ لَا يُفْتَنُونَ
“মানুষ কি মনে করে—‘আমরা ঈমান এনেছি’ বললেই তাদের পরীক্ষা হবে না?”
— (সূরা আল-আনকাবুত ২৯:২)
পরীক্ষা না হলে ঈমান প্রমাণ হয় না।
চাপ না পড়লে সত্যের শক্তি বের হয় না।
তোমরা হয়তো ভাবো—আমরা অল্প, আমরা দুর্বল।
কিন্তু আল্লাহ বলেন—
كَم مِّن فِئَةٍ قَلِيلَةٍ غَلَبَتْ فِئَةً كَثِيرَةً بِإِذْنِ اللَّهِ
“কত ছোট দল আল্লাহর অনুমতিতে বড় দলকে পরাজিত করেছে।”
— (সূরা আল-বাকারা ২:২৪৯)
সংখ্যা নয়, নিষ্ঠাই আল্লাহর কাছে মূল্যবান।
যখন তোমরা ক্লান্ত হয়ে পড়ো,
যখন মনে হয়—আর পারছি না,
তখন আল্লাহ বলেন—
لَا يُكَلِّفُ اللَّهُ نَفْسًا إِلَّا وُسْعَهَا
“আল্লাহ কাউকেই তার সাধ্যের বাইরে বোঝা দেন না।”
— (সূরা আল-বাকারা ২:২৮৬)
অর্থাৎ— এই কষ্ট তোমাদের সামর্থ্যের ভেতরেই।
কারণ আল্লাহ জানেন—তোমরা পারবে।
তোমরা যদি আজ উপহাসের শিকার হও,
তাহলে জেনে রেখো—
وَلَقَدِ اسْتُهْزِئَ بِرُسُلٍ مِّن قَبْلِكَ
“তোমার আগেও বহু রাসুলকে উপহাস করা হয়েছিল।”
— (সূরা আল-আন‘আম ৬:১০)
তোমরা একা নও।
এই উপহাসের সারিতে নবীরাও ছিলেন।
সবচেয়ে বড় শক্তি কী জানো?
আল্লাহর সাথে সংযোগ।
আল্লাহ বলেন—
أَلَا بِذِكْرِ اللَّهِ تَطْمَئِنُّ الْقُلُوبُ
“আল্লাহর স্মরণেই অন্তর প্রশান্ত হয়।”
— (সূরা আর-রা‘দ ১৩:২৮)
যখন মানুষ তোমাদের ছেড়ে যায়,
তখন আল্লাহর স্মরণ তোমাদের ধরে রাখে।
শেষ কথা স্পষ্ট—
তোমাদের দায়িত্ব ফল নয়, প্রচেষ্টা।
আল্লাহ রাসুলকে বলেছেন—
مَا عَلَى الرَّسُولِ إِلَّا الْبَلَاغُ
“রাসুলের দায়িত্ব কেবল পৌঁছে দেওয়া।”
— (সূরা আল-মায়িদাহ ৫:৯৯)
এই দায়িত্ব তোমরাও বহন করছো।
একদিন এই কোরআনই তোমাদের পক্ষে কথা বলবে।
এই নিঃসঙ্গতাই সেদিন সম্মানে রূপ নেবে।
আর আল্লাহ বলবেন—
إِنَّا لَا نُضِيعُ أَجْرَ الْمُحْسِنِينَ
“নিশ্চয়ই আমি সৎকর্মশীলদের প্রতিদান নষ্ট করি না।”
— (সূরা ইউসুফ ১২:৫৬)
তাই থেমে যেয়ো না।
ভেঙে পড়ো না।
নরম থেকো, কিন্তু সত্যে আপসহীন থেকো।
কারণ কোরআনের পথে যারা একা পড়ে যায়—
তারাই একদিন আল্লাহর কাছে সবচেয়ে কাছে থাকে।
